দেরি করে বিয়ে করলে ১৫টি ক্ষতি হবে।
১.হস্তমৈথুন থেকে বিরত থাকা সহজ হবেনা।
২.পর্ণ সিনেমায় আসক্তি তৈরি হয়
৩.অবৈধ মেলামেশা সম্পর্ক হয়ে যায়।
৪.যৌন ক্ষমতা হ্রাস পেতে পেতে শূন্য হয়ে যায়, বিয়ে করতে ভয় পাওয়া রোগ থেকে মানসিক এনজাইটি সৃষ্টি হয়।
৫.প্রজনন ক্ষমতা নারী পুরুষের চরমভাবে কমে যায়।
৬.সন্তানদের সময়মতো মানুষ করতে না পারা
৭.সামাজিক ভাবে হাস্যকর ব্যক্তিতে পরিনত হয়ে যায়।
৮.নারীর সহজে গর্ভধারন হয়না হলেও প্রতিবন্ধি সন্তান হতে পারে।
৯.হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, স্ট্রোক, মানসিক রোগ অসময়ে দেখা যায়।
১০.একাকিত্ব আর হতাশা ডিপ্রেশনে জীবন একাকার হয়ে যায়।
১১.নানাজনে নানা কথা বলে চলতে ফিরতে লজ্জিত হওয়া লাগে।
১২.কখনো কখনো পতিতালয়ে গমন করা লাগে।
১৩. সঠিকভাবে সন্তানের দেখাশুনা করা যায় না আগেই বৃদ্ধ হয়ে যায়।
১৪.ভাল পাত্রী পাওয়া যায় না।
১৫.অর্থনৈতিক সমস্যা দেখা যায় এলোমেলো জীবন যার চরম সঙ্গী। দিনশেষে বড্ড একা লাগে।
সমাধান ও করনীয় কি
১.নিজের ভয় দূর করে দেরি না করা। ভালো পাত্রী পেলে সাথে সাথে বিয়ে করে নেওয়া উত্তম।
২.বিয়ে করা কে ইবাদত মনে করা।
৩.নিজেকে বিয়ের জন্য সবসময়ই ফিট রাখা
৪.অবিবাহিত হলে অবশ্যই হস্তমৈথুন পর্ণ সিনেমা থেকে বিরত থাকা।
৫.নেককার, খুশু খুজু আমলে ওয়ালা, স্বামীর আনুগত্যকারী নারীকে বিবাহ করা
৬.ঝগড়াটে শ্বাশুড়ি থেকে ১০০ হাত দূরে থাকা
৭.যে বংশে পরকীয়া, অকারণে ডিভোর্স নারী সেখানে না বিয়ে করা।
Your email address will not be published. Required fields are marked *
0 Comments